নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, সরবরাহ হ্রাস ও ডলারের সংকট নিয়ে দু-তিন দিনের মধ্যে বসে সিদ্ধান্ত নেবে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া কিছু আমদানি পণ্যে কর বাড়ানোর বিষয়ও আছে বিবেচনাধীন। বৃহস্পতিবার দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এসব কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে ভূমি উন্নয়ন কর আইন ও ভূমি সংস্কার আইনের খসড়া অনুমোদনসহ বিবেচনার বিষয় ছিল ৯টি। তবে এসব ছাপিয়ে প্রাধান্য পেয়েছে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার প্রসঙ্গ।
পরে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, বৈঠকে দ্রব্যমূল্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বাণিজ্য ও অর্থ মন্ত্রণালয়কে দেয়া হয়েছে কিছু নির্দেশনা। বলা হয়েছে পর্যাপ্ত ও বোধগম্য ব্যবস্থা নিয়ে তা সবার সামনে তুলে ধরতে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ে ডিটেইল আলোচনা হয়েছে। কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স মিনিস্ট্রিকে কতগুলো ইনস্ট্রাকশন দেয়া হয়েছে, পর্যাপ্ত এবং কম্প্রিহেনসিভ ব্যবস্থা নিয়ে সবার কাছে তুলে ধরার জন্য। বিশেষ করে কিভাবে আমরা এই যে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাচ্ছে বা সাপ্লাই কমে যাচ্ছে, এই জিনিসগুলো কিভাবে হ্যান্ডেল করতে পারব? কোন জায়গায় রেস্ট্রিকশন দিলে ভালো হবে বা ওপেন করলে ভালো হবে? এগুলো দু-তিন দিনের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে তুলে ধরতে হবে। ডলারের যে ক্রাইসিস হচ্ছে এটা কীভাবে সলভ করা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বসে দু-তিনদিনের মধ্যে প্রেসের সামনে বসার জন্য।
সরকারের এই শীর্ষ কর্তকর্তা তুলে ধরেন, আমদানিতে কর বাড়াতে সরকারের ভাবনার কথাও।
তিনি বলেন, ৮ বা ৯ হাজার কোটি টাকার ফল আসে বছরে। ৯ হাজার কোটি টাকা ইজ মোর দেন ওয়ান বিলিয়ন ডলার। এখন ট্যাক্স যদি সাময়িকভাবে বাড়ানো হয় বা অন্য যে ফেন্সি আইটেমগুলো আছে সেগুলোতে ট্যাক্স বাড়ান, এই বিষয়গুলো আলোচনা করে ২-৩ দিনের মধ্যে একটি সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে।
এছাড়া ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষিজমির খাজনা মওকুফের বিধান আবার চালু করে ভূমি উন্নয়ন কর আইনের খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সূত্রঃ ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি